Connect with us

Tollywood

Mir-Awesome Sala: দশ বছর আগে অসম শালার তালে নাচত মীরাক্কেল, আজ সেই ভাইরাল গানের প্রথম মিউজিক ভিডিও লঞ্চ করলেন মীর!

Published

on

“ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে, আগে তো নিয়ে আয় তালা” বিখ্যাত রবীন্দ্র সংগীতের গানের লাইনের সঙ্গে নিজের সংযোজন করে এমন একটি অসাধারণ পাঞ্চ লাইন যুক্ত গান বানিয়েছিলেন জনপ্রিয় হাস্যকৌতুক শিল্পী, নায়ক এবং সঞ্চালক মীর। আলাদা করে এই শিল্পীর পরিচয় দিতে লাগে না। তবে এই গান সৃষ্টি করার পরে তার জনপ্রিয়তা এবং এই রানের জনপ্রিয়তা রীতিমতো তুঙ্গে ছিল।

মিরাক্কেল নামক জনপ্রিয় হাস্যকৌতুক অনুষ্ঠান থেকে ভাইরাল হয়েছিল এই বিখ্যাত গান। তারপর এতগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও, কমেডি শো থেকে এই গান বিলুপ্ত হয়ে গেলেও দর্শকরা তা ভুলতে পারেনি। অসম শালা গান রচনা করেছিলেন স্বয়ং মীর এবং তাতে যোগ্য সঙ্গত করেছিল তার মিউজিকাল টিম ব্যান্ডেজ।

Mir Afsar Ali Biography

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এখন কোথায় কোথায় ভাইরাল শব্দটা আমরা ব্যবহার করে থাকি। কোন কিছু ভূতের মধ্যে দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে গেলেই সেটাকে ভাইরাল হয়ে গেছে বলি। এ ভাইরাল হওয়ার দৌলাতে জনপ্রিয়তা পেয়েছে এমন তারকা সংখ্যা কিন্তু কম নয়। অসম শালা এখন তৈরি হয় তখন সোশ্যাল মিডিয়ার এত গরম বাজার ছিল না। তাই তখন ভাইরাল হওয়ার প্রশ্নই নেই।

তুমি এত বছর পরেও সেই গান একই ভাবে প্রাসঙ্গিক এবং ভাইরাল হচ্ছে ধীরে ধীরে। এবার সেই গানকে বিশেষ মর্যাদা দিতে মিউজিক ভিডিও লাঞ্চ করলেন মীর। লকডাউনের সময়ে মীর এন্ড ব্যান্ডেজ নামে একটি youtube চ্যানেল খুলেছিলেন এই অভিনেতা। এই গানটির দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেখানে মিউজিক ভিডিওটি মুক্তি পেয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ এসেছিলেন মীর। এই জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও নিয়ে যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। সব থেকে বেশি তো প্রশ্ন করা হয়েছিল সেটা হল দশ বছর পর কেন মিউজিক ভিডিও তৈরি করার কথা ভাবলেন? অভিনেতা জানিয়েছেন এর উত্তর তার কাছে নেই। তবে তিনি মনে করেন দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটা সেলিব্রেশনের অজুহাত হিসেবেই এটাকে তৈরি করা হয়েছে।

মীর প্রথম কোন মিউজিক ভিডিও নিজে পরিচালনা করেছেন। সঙ্গে আবার সহ-পরিচালক ছিলেন প্রশান্ত কুমার সুর। গানের কথা মীর নিজেই লিখেছেন। আবার কিছু কিছু শব্দ লিখেছেন গোধূলি শর্মা।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending