Connect with us

Tollywood

Rupankar Bagchi: কেকে কান্ডে তাঁর মৃত মা পেয়েছিলেন ধর্ষ’ণের হুমকি! ছেলে হিসেবে সেই ঘটনায় বড় লজ্জিত রূপঙ্কর, আজ মায়ের জন্মদিনে যন্ত্রণায় শেষ হচ্ছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত গায়ক

Published

on

ছেলে জীবিত থাকা অবস্থায় মা যদি এত বড় হুমকি পান তাহলে ছেলের উপর দিয়ে কোন ঝড় বয়ে যায় এবং তার মানসিক অবস্থা কেমন হয় এটা যে কোনও সন্তান স্বপ্নেও ভাবতে পারবে না। বাঙালি নায়ক রূপঙ্কর বাগচী ঠিক এমনই আর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন।

একটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছিল রূপঙ্করকে বয়কট করার। কারণ? তিনি বিরোধিতা করেছিলেন বলিউড গায়ক এবং প্রয়াত গায়ক কেকের। এই নামটি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠলেই সে সময় জড়িয়ে যাচ্ছিল এই বাঙালি গায়কের নামও। এই নিয়ে প্রচুর জলঘোলা এবং বিতর্ক হয়েছে একটা সময়ে।

গায়ক রূপঙ্কর বাগচীর দোষ ছিল একটাই। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন “হু ইস কেকে ম্যান?” ব্যাস, সঙ্গে সঙ্গে তাঁর উপর নেমে এসেছে দর্শকদের এবং সাধারণ মানুষের কটাক্ষের ঝড়।

তবে এই ঝড় থেকে রক্ষা পাননি রূপঙ্করের পরিবারও। সে সময়ে জীবিত ছিলেন গায়কের মা। রয়েছেন গায়কের স্ত্রী এবং এক সন্তান। সেই মা পেয়েছিলেন চরম হুমকি যা ছিল ধ’র্ষণের। এই নিয়ে অন্য ধরনের এক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায় যেখানে দ্বিধা বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল নেট নাগরিক। একদল এই বিষয়টিকে একেবারেই সমর্থন করেনি যেখানে একজন ব্যক্তির কারণে তার গোটা পরিবারের উপর এভাবে আক্রমণ করা হবে কুরুচিকরভাবে।

এবার তার বহু সময় পর মুখ খুললেন গায়ক রূপঙ্কর বাগচী। বৃহস্পতিবার ছিল সুমিত্রা বাগচীর জন্মদিন। মায়ের জন্মদিনে কেক কেটে মায়ের পছন্দের গান গেয়ে সেলিব্রেট করলেন সন্তান রূপঙ্কর। সেই সময় লজ্জা মেশানো একটি বার্তা দিয়েছেন। লিখেছেন আজ মায়ের জন্মদিন। তিনি বেঁচে থাকলে বয়স হতো ৭৩। তবে ভালই হয়েছে তিনি আর নেই। না হলে এই বয়সে ধর্ষ’ণের হুমকি পেতে হতো সামনাসামনি। কারণ তাঁর ছেলের নাম রূপঙ্কর।

রূপঙ্কর কি এখনো সেই যন্ত্রণায় ভুগে চলেছেন? এক সংবাদ মাধ্যম এই প্রশ্ন করতেই গায়ক জানিয়েছেন গায়কের মা সত্যিই এই হুমকি পেয়েছিলেন আর সেদিন প্রচন্ড লজ্জিত হয়েছিলেন সন্তান হিসেবে তিনি। তিনি নিজের চোখে এই বার্তা পড়লে প্রচন্ড আঘাত পেতেন। তবে এখন আর তিনি নেই বলে এই অপমানের হাত থেকে বেঁচে গেলেন। সেটাই এখন রূপঙ্করের কাছে বড় স্বস্তি।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Trending